সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে সরকারি স্কুলে সাশ্রয় ১০ কোটি

Add Your Heading Text Here

সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারে সরকারি স্কুলে সাশ্রয় ১০ কোটি

গত চারমাস ধরে চলা লকডাউনের ফলে কাজ হারিয়েছেন অনেক মানুষ। এদিকে বেড়ে চলছে শাক-সবজির সাথে সাথেই বেসরকারি স্কুলগুলোর উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়া ‘ডেভেলপমেন্ট ফি’ নিয়ে নাজেহাল অভিভাবকেরা। অভিযোগ যে এই সমস্ত ডেভেলপমেন্ট ফিজের আড়ালেই বিদ্যুতের খরচ মেটাতে চাইছে বেসরকারি স্কুলগুলো। রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে আমরা প্রায়ই এরকম বিক্ষোভ দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু রাজ্যের সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলগুলোতে ফি বৃদ্ধির কোনো খবর কেন সামনে আসছে না? বিদ্যুতের খরচ তো বেসরকারি স্কুলের পাশাপাশি এই স্কুলগুলোতেও হয়, তাই না!

আসলে ২০১৮ নাগাদ তৃণমূল সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে রাজ্যের সরকারি এবং সরকার পোষিত স্কুলগুলোতে বিদ্যুতের জন্য ব্যবহার করা হবে সূর্যের আলো। স্কুলগুলোর ছাদের বসানো হবে সোলার প্যানেল। সেই মতো গতবছর মানে ২০১৯ সালেই ১৩০০টি স্কুল ছাড়াও ২১টি কলেজ এবং পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহারে ফ্যান-লাইট সহ কম্পিউটার চলছে। আশা করা যাচ্ছে এই বছরের মধ্যেই বাকি ৭০০ টি স্কুলেও বসে যাবে এই প্যানেল। সোলার প্যানেল বসার ফলে গতবছরের অর্থবর্ষেই রাজ্যের সিন্দুকে জমা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। ʼ২০ সালে বাকি কাজ মিটলে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ১৫ কোটি টাকা।

এর আগে ২০১৪ সালে ২০১৪ সালে পুদুচেরিতে শ্রী অরবিন্দ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অফ এডুকেশন নিজ উদ্যোগে সোলার প্যানেল লাগানো হয়েছে। মহারাষ্ট্রেও ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার্থে নানা স্থানে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল। দেশের রাজধানী দিল্লি, তেলেঙ্গানা এই সমস্ত রাজ্যেও চালু হয়েছে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার।

মহাশয়ার এই প্রকল্প সুদূর প্রসারী তো বটেই। কিন্তু কেবলমাত্র রুফটপ সোলার প্যানেল বসালেই তো দায় শেষ হয়ে যায় না। এগুলো মেইনটেনও করতে হয়। সরকারের সফলতা সেখানেই যখন এই অচিরাচরিত শক্তির ব্যবহার কয়লা শক্তি থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের থেকে বেশি হবে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যেও এই শক্তির বিকাশ নিয়ে সচেতনতা আসবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *